বিশ্বব্যাপী সম্প্রতি পরিশোধিত চিনির দাম বেড়েছে। এ সময় ব্রাজিল রেকর্ড উৎপাদন অব্যাহত রাখলেও এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানির চাহিদা বাড়ায় বাজারে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা ও বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কোভরিগ অ্যানালিটিকসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান বিশ্লেষক ক্লডিউ কোভরিগ ভারতীয় গণমাধ্যম সিএনবিসি-টিভি১৮-কে জানান, ব্রাজিল থেকে বিপুল সরবরাহ থাকলেও লন্ডনের আইসিই এক্সচেঞ্জে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে চিনি কিনছে।
ভারতের চিনি রফতানি এখনো নির্ভর করছে পরিবহন ব্যয় ও অভ্যন্তরীণ ইথানল নীতির ওপর। ক্লডিউ কোভরিগ সতর্ক করে বলেন, ‘ভারত থেকে চিনি সরবরাহ না করা হলে ২০২৬ সালের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। বিশেষত প্রথম প্রান্তিকের শুরুতে ভারত থেকে সরবরাহ না করা হলে এ সময়ের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে পরিশোধিত চিনির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে।’
কোভরিগ আশা প্রকাশ করেন, ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা অভ্যন্তরীণ ইথানল নীতি ও রফতানি চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করবেন। তিনি জানান, ২০২৬ সালের বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহে ভারত থেকে প্রায় ১৮ লাখ টন পরিশোধিত চিনি রফতানি করা হতে পারে।